

নিজেস্ব প্রতিবেদক :
অযোগ্য শিক্ষক-কর্মচারীতে ভরেছে প্রতিষ্ঠান, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ২নং মাগুরা ইউনিয়নের কায়েমকোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, টাকার বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতির মহোৎসব চলে এসেছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি আজ অদক্ষ লোকবলের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিগত সময়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও এডহক কমিটির যোগসাজশে একের পর এক নিয়োগে নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করা হয়েছে। যোগ্যতার তোয়াক্কা না করে অযোগ্য ও অদক্ষ ব্যক্তিদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। এ কারণে শিক্ষার মান ক্রমশ ভেঙে পড়ছে এবং শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ দপ্তরী পদে নিয়োগ পাওয়া সোহাগ হোসেন। তার এসএসসি পাশের সন ২০০৮ হলেও জন্মতারিখে গরমিল রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ ১০ আগস্ট ১৯৯২, আর এমপিও সীটে দেখানো হয়েছে ১৮ মার্চ ১৯৯০। ফলে নিয়োগের সময় তার প্রকৃত বয়স ছিল ১৭ বছর ২ মাস ২ দিন, যা সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী অবৈধ।
স্থানীয়রা বলছেন, এটি কোনো একক ঘটনা নয়—বিগত সময়ে যত শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ হয়েছে তার সবকিছুই অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। তাদের অভিযোগ, বর্তমানেও একই ধারা চলছে, ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়ছে।
এ নিয়ে অভিভাবক, সচেতন মহল ও এলাকাবাসী বিদ্যালয় প্রধানের বিচার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তারা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবৈধ নিয়োগের সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
