

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা নেত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত দুইজন মহিলা কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা নেত্রীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করতে গেলে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় কয়েকজন মহিলা নেত্রী আহত হন এবং একটি মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয়। পরে হামলাকারীরা ভাঙা মোবাইলটি নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আরাফাত রহমান কল্লোলের নেতৃত্বে সবুজ, আহনাত, সোহাগসহ ১৫–২০ জনের একটি দল এ হামলায় অংশ নেয়।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর মহিলা নেত্রী মিসেস শিখা জানান, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় জামায়াতের মহিলা কর্মী রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস ও জোসনাসহ ১০ জনের একটি দল ১০ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মুসলেউদ্দিন ফরিদের পক্ষে ভোট চাইতে গেলে হামলার শিকার হন।
তিনি আরও জানান, হামলায় জোসনা ও কামরুন্নাহার আহত হন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তারা বর্তমানে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ সময় জোসনার মোবাইল ফোন ভাঙচুর করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কামরুন্নাহারের কাছে থাকা একটি ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মিসেস শিখা বলেন, “আমরা এই বর্বর হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।”
এ ঘটনায় এখনো বিএনপি বা যুবদলের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
