
নিজস্ব প্রতিবেদক
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে উত্তেজনা। সম্ভাব্য তফসিল ঘোষণা ও ভোটগ্রহণের তারিখ সামনে রেখে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তৎপর হয়ে উঠেছে বিএনপি জোট। ৩৬টি আসন ঘিরে দলে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা ও জল্পনা-কল্পনা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সংসদে আসনসংখ্যার ভিত্তিতে বিএনপি জোট পেতে পারে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসন। এসব আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় নেত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী—অনেকেই দৌড়ে রয়েছেন।
এই দৌড়ে বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পরাজিত যশোর -২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানা। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে তার রাজনৈতিক সক্রিয়তা, মাঠপর্যায়ের সম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে। তৃণমূলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণও তার পক্ষে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিএনপির ভেতরে অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং পরীক্ষিত নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সেই বিবেচনায় সাবিরা সুলতানার নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে ত্যাগ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততার বিষয়। দলীয় সূত্র জানায়, এসব মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
ফলে শেষ পর্যন্ত বিএনপির ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসনের টিকিট কারা পাচ্ছেন—তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা থাকলেও, আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সাবিরা সুলতানা।


