
নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোর–২ (ঝিকরগাছা–চৌগাছা) আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে দলীয় কোন্দল নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুবদল ও ছাত্রদলের চারজন নেতাকে ষড়যন্ত্র করে বহিষ্কার করার উদ্যোগ নেয়া হলেও কেন্দ্রীয় নেতারা বিষয়টি বুঝতে পেরে শুধু মুচলেকা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে, রোববার চৌগাছায় দুই উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য বৃহৎ সমাবেশও শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে—যশোর–২ আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী কেন্দ্রীয় নেতাদের ‘পেশার’ দিয়ে সমাবেশ বন্ধ করিয়েছেন। এতে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাঁচজন বিএনপি নেতা বলেন,
“ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে আমরা দুই উপজেলাকে নিয়ে রোববার চৌগাছায় বড় সমাবেশের আয়োজন করি। কিন্তু মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীর উদ্যোগেই কেন্দ্রীয় নেতারা এটিকে বন্ধ করে দেন। এতে তার নিজেরই সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো। দিন শেষে এই সমাবেশ হলে ধানের শীষের পক্ষে শক্তিশালী বার্তা যেত।”
তারা আরও অভিযোগ করেন,
“যেভাবে তিনি (মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থী) দলীয় নেতাদের বহিষ্কারের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন, তাতে মনে হচ্ছে নির্বাচনের আগেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অধিকাংশ নেতাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হবে।”
এ অবস্থায় যশোর–২ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। তৃণমূল নেতারা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় ঐক্য নয়, বরং বিভাজনই বাড়ছে—যা শেষ পর্যন্ত বিএনপির সামগ্রিক নির্বাচনী পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
সূত্র : jaagobangladesh/ জাগো বাংলাদেশ


