
চৌগাছা প্রতিনিধি :
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো স্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন পায়নি পাশাপোল ইউনিয়ন। টিনশেডের একটি অস্থায়ী ঘরেই বছরের পর বছর ধরে চলছে পরিষদের সব কার্যক্রম, ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পাশাপোল গ্রামের একটি দোকানঘরের মতো টিনশেডের স্থানে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভবনের বেহাল অবস্থা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে সেবা নিতে আসা মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছেন।
ইউনিয়নটির পূর্বে যশোর সদর এবং দক্ষিণে ঝিকরগাছা উপজেলা অবস্থিত। শিক্ষা, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নতি হলেও একটি স্থায়ী ইউপি ভবনের অভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত গতি আসেনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের ভবন কোথায় নির্মাণ করা হবে—এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব ও পশ্চিম অংশের বাসিন্দাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। এ বিরোধের জেরে ১৯৯২ সালে একটি মামলা দায়ের হয়, যা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে সব উদ্যোগ থেমে আছে।
স্থানীয় শিক্ষক মো. পান্নু বলেন, “ডিজিটাল যুগে থেকেও আমরা আদিম পরিবেশে সেবা নিচ্ছি। পুরো ইউনিয়নের সুবিধা বিবেচনায় দ্রুত একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণ জরুরি।”
পাশাপোল ও দশপাকিয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, বর্তমানে যেখানে কার্যক্রম চলছে সেখানে প্রায় ৫৪ শতক জমি রয়েছে, যা ইউনিয়নের কেন্দ্রস্থল হিসেবেই বিবেচিত। ওই স্থানেই নতুন ভবন নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষ সহজে সেবা পাবে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবাইদুল ইসলাম সবুজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিনের এ ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে পাশাপোল ইউনিয়নে একটি আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হোক।


