By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Condition.
Accept
ChetonaNews24ChetonaNews24ChetonaNews24
  • হোম
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • চাকরি
  • ধর্ম
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য
আরও বিভাগ
  • মুক্তকথা
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • সময় প্রবাস
  • লাইফস্টাইল
লগ ইন
বিজ্ঞপ্তি আরও দেখান
Font ResizerAa
ChetonaNews24ChetonaNews24
Font ResizerAa
নিউজ সার্চ করুন
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • চাকরি
  • ধর্ম
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • মুক্তকথা
  • রাজনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • সময় প্রবাস
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • স্বাস্থ্য
  • আমাদের ক্যাটাগরি সমূহ
আগের অ্যাকাউন্ট আছে ? লগ ইন
আমাদের অনুসরণ করুন
  • Advertise
© 2025 Chetonanews24. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

জাতীয়হত্যা

লগি-বৈঠা আন্দোলনের ১৯ বছর: স্মরণে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর।

Ahsan
সর্বশেষ আপডেট: October 28, 2025 10:57 am
Ahsan
2 মিনিট পড়ুন

ডেক্স রিপোর্ট :

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর এক রক্তাক্ত দিন হিসেবে চিহ্নিত। ঠিক ১৯ বছর আগে, ২০০৬ সালের এই দিনে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় বহুল আলোচিত ‘লগি-বৈঠা আন্দোলন’ বা ‘লগি-বৈঠা র‍্যালি’। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে সহিংস সংঘর্ষ, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করে।

তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিয়োগ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে তীব্র বিরোধ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ও তার মিত্র ১৪ দল বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সমাবেশের ডাক দেয়। একই দিনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বায়তুল মুকাররম মসজিদের উত্তর গেটে পাল্টা সমাবেশ আহ্বান করে।

দুই পক্ষের এই মুখোমুখি অবস্থান থেকে শুরু হয় ভয়াবহ সংঘর্ষ। পল্টন, গুলিস্তান ও আশপাশের এলাকায় কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, লাঠিচার্জ ও রক্তক্ষয়ী হামলা। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিন ও পরবর্তী কয়েক দিনে অন্তত ৪০ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়।

সংঘর্ষের সময় ‘লগি-বৈঠা’ হাতে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে দেখা যায়—যা থেকেই এই আন্দোলনের নাম হয় “লগি-বৈঠা আন্দোলন”। ঐ সময় প্রচারিত কিছু ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, প্রতিপক্ষের ওপর নির্মম আক্রমণ চালানো হচ্ছে, যা সারা দেশে তীব্র আলোড়ন তোলে।

জামায়াতে ইসলামী দাবি করে, সংঘর্ষে তাদেরই অধিকাংশ নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। এরপর টানা কয়েকদিন বিএনপি-জামায়াত ও ১৪ দলের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পল্টন এলাকা কার্যত বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করলে বিচারপতি কে এম হাসান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান। শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ জরুরি আইন জারি করেন এবং সেনা সহায়তায় ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২৮ অক্টোবরের রক্তাক্ত সংঘর্ষই পরবর্তীতে বাংলাদেশের “ওয়ান-ইলেভেন” নামে পরিচিত রাজনৈতিক পরিবর্তনের অন্যতম পটভূমি তৈরি করেছিল।

১৯ বছর পরও ‘লগি-বৈঠা আন্দোলন’ রয়ে গেছে বাংলাদেশের রাজনীতির এক বিতর্কিত, বেদনাদায়ক ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে।

Post Views: 94

সাম্প্রতিক খবর

[ruby_related total=5 layout=5]

পূর্ববর্তী খবর চৌগাছায় নবাগত ইউএনও শাহীনুর আক্তারকে জামায়াতের ফুলেল শুভেচ্ছা।
পরবর্তী খবর ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ঝিকরগাছায় জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
মতামত দিন মতামত দিন

Click here to cancel reply.

Please Login to Comment.

//

চেতনা নিউজ ২৪ একটি নিরপেক্ষ অনলাইন সংবাদমাধ্যম, যা দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবর পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয় দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে।

দ্রুত লিঙ্কগুলি

  • আমাদের সম্পর্কে
  • ব্যবহারের শর্তাবলি
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ

শীর্ষ বিভাগ

  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
ChetonaNews24ChetonaNews24
আমাদের অনুসরণ করুন
© 2025 Chetonanews24. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

সদস্য নন? নিবন্ধন করুন